হার্ডওয়্যার সার্ভিস খাতে আইটিইএস সুবিধা চায় বিসিএস

৮ জুন, ২০২৪ ১২:৩৭  

বাজেটে ল্যাপটপের ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোন কর (মূসক) প্রত্যাহার করা হলেও অতিরিক্ত ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ধার্য করা হয়েছে। এই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার চেয়ে হার্ডওয়্যার খাতকে তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার অন্তর্ভূক্তি এবং আগে দাবি অনুযায়ী প্রিন্টার ও টোনার কার্টিজ আমদানীর ওপর থেকে মূসক প্রত্যাহার এবং মনিটরের আকার ২২ থেকে ২৭ ইঞ্চিতে উন্নীত করতে সম্পূরক বাজেটে সিডি ও এইচএস কোড আপডেটের দাবি করা হয়েছে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে অনুষ্ঠিত বাজেট প্রতিক্রিয়া সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী সুব্রত সরকারের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, অর্থ সম্পাদক আনিসুর রহমান ও ভাইসপ্রেসিডেন্ট রাশেদ আলী ভূঁইয়া বক্তব্য রাখেন।

সুব্রত সরকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট-ট্যাক্স ছাড় দেয়ায় বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ করা হয়েছে। এবার স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে হার্ডওয়্যার যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্ক মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে দেশে হার্ডওয়্যার শিল্প প্রতিষ্ঠার স্বার্থে হাইটেক পার্কে মুলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে আরোপিত ১ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে।

ল্যাপটপে মূসক প্রত্যাহারে কেমন দাম কমবে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ল্যাপটপের দাম ১০ শতাংশ কমবে। কেননা মূসক প্রত্যাহার করা হলেও অতিরিক্ত ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে হার্ডওয়্যার শিল্পকে আমদানী নির্ভরতা কমাতে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে মূলধন সুরক্ষাসহ তাদের জন্য ইজ অব ডুয়িং বিজনেস করা হবে।

কামরুজ্জামান ভূঁইয়া বলছেন, ল্যাপটপ শৌখিন পণ্য নয়। তাই এর ওপর থেকে মূসক প্রত্যাহার করায় আমরা প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ উপদেষ্টা, অর্থমন্ত্রী, অর্থ সচিব এবং প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। একই সঙ্গে প্রতিটি আইটি পণ্য যেন সুলভ হয় যে জন্য যে জটিলতাগুলো আছে তা নিরসন করা হবে। আমরা আশা করবো, কর রেয়াত সুবিধা বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত করা হবে।